Main Menu

খাদিমপাড়ার মীর মহল্লায় অপরাধ কার্মকান্ডে জনজীবন অতিষ্ঠ

সিলেট শহরতলীর খাদিমপাড়া ইউনিয়নের বিআইডিসি সংলগ্ন মীর মহল্লা একটি ছোট্ট গ্রাম। সেখানে কর্মজীবীদের সংখ্যাই বেশি। কিন্তু এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলার অভাবে বসবাসকারীদের মনোবল ভেঙ্গে পড়েছে।
মাদক, জুয়া খেলার অপরাধে এলাকায় অরাজকতা লাগামহীন ভাবে চলছে। এই লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না। অপরাধীরা কাউকে তোয়াক্কা করছে না।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মীর মহল্লার মৃত ইসলাম আলীর পুত্র নুরু মিয়া (৪০) এর বিরুদ্ধে শাহপরাণ রহ: থানায় ৪টি মামলা রয়েছে। মামলায় জুয়া, ডাকাতি ও মাদক অপরাধের ঘটনায় জড়িত নুর মিয়া। কয়েক মাস আগে জেল থেকে জামিনে বের হয়ে পুনরায় নিজ বাড়িতে জুয়া তাসের বোর্ড বসিয়ে খেলা শুরু করেছে নুরু মিয়া।
নুরু মিয়ার ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (২২) চোরাই মোবাইল সেট ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে জড়িত। মোবাইল বেচা কেনায় লেনদেন করতে গিয়ে এলাকায় ধরা খাওয়া নিয়ে কয়েক দফা মারামারির ঘটনা ঘটে। পিতা-পুত্রের এমন অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ায় মীর মহল্লাবাসীর শান্তি-শৃঙ্খলা চরম ভাবে বিঘ্ন হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ মাসের পর মাস চলে।
জুয়ার বোর্ডে খেলাখেলি করতে স্থানীয় ও বহিরাগতরা এলাকায় আনাগোনা করায়, বিশেষ করে কিশোরী ও যুবতী মহিলারা ঘর থেকে বের হয়ে সামাজিক ভাবে চলাফেরা করতে পারছে না।
মীর মহল্লার আব্দুস সামাদ (২৮), পিতা মৃত ইসলাম আলী। জুয়াড়ী নুর মিয়ার আপন ছোট ভাই। কয়েক মাস আগে সেও ইয়াবা মাদক মামলায় জেল খেটে জামিনে বের হয়ে এসে পুনরায় এলাকায় প্রতিদিন হেটে, কখনো কারো বাসা-বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের গেইটের সামনে দাঁড়িয়ে নেশার টেবলেট ইয়াবা বিক্রি করে যাচ্ছে। আব্দুস সামাদ মীর মহল্লার অন্যতম ইয়াবা’র ডিলার হিসেবে এলাকাবাসীর কাছে চিহ্নিত। সামাদের ইয়াবা বিক্রির অন্যতম সহযোগী মীর মহল্লার আব্দুল কুদ্দুস ও রুবেলের নাম এলাকার মুরব্বীদের মুখে মুখে ওঠেছে।
স্থানীয় এলাকার কয়েকজন মুসল্লির সাথে কথা বলে জানা গেছে, নুরু মিয়ার ভাই আব্দুস সামাদ ও ছেলে রিয়াজ উদ্দিন এলাকাবাসীর দৃষ্টিতে বেপরোয়া সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়াড়ী হিসেবে চিহ্নিত। তারা কাউকে এলাকায় পরোয়া না করে, প্রকাশ্যে মাদক দ্রব্য বিক্রি, জুয়া খেলা ও চোরাই মোবাইল বেচা-কেনায় জড়িত। এলাকাবাসী তাদেরকে বার বার প্রতিবাদ করলে জুয়াড়ী নুরু মিয়ার স্ত্রী প্রতিবাদকারীদের উপর বেহায়াপনা হয়ে হামলা চালিয়ে দুর্নাম দিয়ে প্রতিবাদকারীদের উল্টো ফাঁসিয়ে দেয় বলে ভয়ে কেউ কথা বলতে সাহস করে না। তাদের সন্ত্রাসী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে মীর মহল্লাবাসী জিম্মি হয়ে পড়েছেন।
এলাকাবাসীর কিছু সংখ্যক লোকজন বলেন, মাঝে মাঝে এসএমপি পুলিশের হযরত শাহপরাণ রহ: থানার অধিনস্ত খাদিমপাড়ার সুরমা গেইট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুস সালাম পুলিশ টিম সঙ্গে নিয়ে মীর মহল্লায় লোক দেখানো টহল দিয়ে চলে যান।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন- মীর মহল্লার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ যদি বাইরে চলে যায়, তাহলে পুলিশের কি কাজ?






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *