Thu. May 28th, 2020

Sylhetamarsylhet.com

Online News Paper

আয়ারল্যান্ডে দূতাবাস স্থাপনের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক :

আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়ারল্যান্ডে বাংলাদেশি দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে. আব্দুল মোমেন, বাংলাদেশের ব্রিটিশ হাই কমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম ও বাংলাদেশের জার্মান অনারারি কনসুলেট হাসনাত মিয়া।

হাসনাত মিয়া বলেন, কিছুদিন আগে সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক আয়ারল্যান্ড প্রবাসী হাবিবে মিল্লাত মুন্না আয়ারল্যান্ডের জন্য এই সুখবর নিয়ে আসেন এবং আয়ারল্যান্ডে এই হাইকমিশন স্থাপন যথার্থই প্রবাসী বাঙালিদের জন্য অনেক সুফল বয়ে আনবে।

ব্রিটেনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম ওনার বক্তব্যে সুবিন্যস্তভাবে আয়ারল্যান্ডে বাংলাদেশি দূতাবাস প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আয়ারল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে অপার সম্ভাবনা রয়েছে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সমূহের। এতে বাংলাদেশে থেকে আয়ারল্যান্ডে আসাটা যেমন সহজতর হবে তেমনি আয়ারল্যান্ডে বসবাসকারী বাংলাদেশিদেরও সহজতর হবে সরকারি বিভিন্ন কাজে। দেশে প্রায় ছয় লক্ষাধিক ফ্রি ল্যান্স তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন জনবল রয়েছে যার সুযোগ কাজে লাগানো যেতে পারে।

এর আগে হাইকমিশনার গত বছর ১৯ নভেম্বর ডাবলিনে আসেন আয়ারল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় সফরে। তিনি আয়ারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট মিস্টার ড. হিগিন্স এর সাথে দেখা করেন এবং শীর্ষস্থানীয় পররাষ্ট্র এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন যা বাংলাদেশ এবং আয়ারল্যান্ডের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিরাট ভূমিকা রাখছে।

সভার শেষে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবুল মোমেন যিনি দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেন ডাবলিনে বাংলাদেশি দূতাবাস প্রতিষ্ঠায়। তিনি উল্লেখ করেন বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৭৭টি দূতাবাস রয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতা থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ১০০তে উন্নীত করা। তিনি প্রবাসীদের কল্যাণের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্প ও উদ্যোগের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান এবং আয়ারল্যান্ড বাসীকে অভিনন্দন জানান।

সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক এবং কার্যকর ভূমিকা প্রদানের জন্য অঙ্গীকার করেন। তার প্রতিক্রিয়ায় আইরিশ বাংলাদেশি কমিউনিটির সকল সদস্যরা উৎফুল্ল হন।