Main Menu

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রত্যাবর্তন—— বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরাম

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ। ১৯৮১ সালের এই দিনে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে এসেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুকন্যার প্রত্যাবর্তন নয়, গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অগ্নিবীণার প্রত্যাবর্তন।
বঙ্গবন্ধু লেখক সাংবাদিক ফোরাম ইউকে সিলেট জেলা শাখার সভাপতি লেখক-সাংবাদিক রুহুল ইসলাম মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আক্তার হোসেন শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বিবৃতিতে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্ব জয়ের দ্বারপ্রান্তে। শেখ হাসিনার জন্যই বাংলাদেশ আজ বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব, যোগ্যতা, নিষ্ঠা, মেধা মনন সৃজনশীলতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এক সময়ের দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত বাংলাদেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করে সেই দেশকে আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা সংকটের শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছেন বলেই বাংলাদেশে এখনো বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এই সংক্রমণ থেকে কিছুটা ভালো অবস্থানে আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে করোনা সংকট জয় করে তার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অভিযাত্রায় দুর্বার গতিতে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে ইনশাআল্লাহ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৮১ সালের এই দিন ১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশে পদার্পণ করেছিলেন। তখন জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রকে বাক্সবন্দি করে মার্শাল ডেমোক্রেসি চালু করেছিল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নির্বাসিত করে দেশে পাকিস্তানি ভাবধারা ফিরিয়ে এনেছিল। তাই ১৭ মে ১৯৮১ সালে শুধুমাত্র ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল না, এদিন ছিল গণতন্ত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অগ্নিবীণার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন।
গত ৩৯ বছরের পথ চলায় শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের সাথে ছিলেন এবং আছেন উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক নন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নন, তিনি আজ বিশ্বের সামনে একটি অনুকরণীয় নেতৃত্বের উদাহরণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পৃথিবীর সবচাইতে সৎ ও কর্মঠ রাষ্ট্রনায়কদের অন্যতম। তাই ব্যক্তি শেখ হাসিনা মাদার অভ হিউম্যানরিটি, চ্যাম্পিয়ন অব দ্য পদকে অভিষিক্ত।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। বারবার মৃত্যুর উপত্যকা থেকে ফিরে এসেও মৃতুঞ্জয়ী শেখ হাসিনা বিচলিত হননি, দ্বিধান্বিত হননি, বরং আরও দীপ্তপদভারে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের কাফেলাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *