Main Menu

ভিন্ন পৃথিবীতে ফিরলেন নভোচারীরা

অনলাইন ডেস্ক  :

গত বছর আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে যাওয়া তিন জন নভোচারী যে পৃথিবী ছেড়ে গিয়েছিলেন, তারা ফিরে এসে দেখলেন, আমূল বদলে গেছে সেই পৃথিবী। রুশ নভোচারী ওলেগ স্ক্রাইপোচকা এবং মার্কিন নভোচারী জেসিকা মায়ার গত বছরের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে যান। তখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ বলে কোনো কিছুর অস্তিত্বই ছিল না। আরেক মার্কিন নভোচারী অ্যান্ড্রু মর্গান আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে অবস্থান করছিলেন জুলাই থেকে।
মহাকাশে দীর্ঘ সময় কাটিয়ে তিন জন গতকাল শুক্রবার পৃথিবীতে ফিরেছেন। কিন্তু করোনা ভাইরাস পৃথিবীতে ফিরে আসা এই নভোচারীদের স্বাভাবিক রুটিনেও পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। মহাকাশে থাকা অবস্থায় এক ভিডিও কলে জেসিকা মায়ার সাংবাদিকদের বলেন, নিচের পৃথিবীতে এরকম কিছু একটা যে ঘটছে, আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র থেকে সেটা একটা পরাবাস্তব ব্যাপার বলে মনে হয়। কারণ এখান থেকে পৃথিবীটা আগের মতোই অপূর্ব লাগে। পৃথিবীতে ফিরে এলেও পরিবার বা বন্ধুদের কাউকে যে আলিঙ্গন করতে পারব না, সেটা ভাবতেই পারিনি। জেসিকা মায়ার গত বছর মানুষের মহাকাশ অভিযানে এক নতুন ইতিহাস রচনা করেন আরেক নারী নভোচারী ক্রিস্টিনা কোচের সঙ্গে মিলে ‘স্পেস ওয়াক’ অর্থাৎ মহাকাশে হেঁটে।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে অনেকগুলো টুইটে বর্ণনা করা হয়েছে কীভাবে শুক্রবার এই তিন নভোচারী পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা এই অবতরণের একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। এতে দেখা যায়, মাস্ক পরা রেসকিউ টিমের সদস্যরা এই নভোচারীদের কাছে যাচ্ছেন। ফিরে আসা নভোচারীরা যেন করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শিকার না হন, সেজন্য অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছিল। যে সার্চ পার্টির সদস্যদের পাঠানো হয়েছিল নভোচারীদের সন্ধানে, তাদের করোনার টেস্ট আগেই করা হয়। কঠোর কোয়ারেন্টাইনেও রাখা হয় দীর্ঘ সময়। ফিরে আসা তিন নভোচারীর স্থলে যে তিন জন নতুন নভোচারী পাঠানো হয়েছে তাদের বেলায়ও মাত্রাতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। যেন করোনা ভাইরাস মহাকাশে ছড়িয়ে না পড়ে। এদের দুই জন রুশ এবং একজন আমেরিকান।

আইএসএস বা আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে ১৯৯৮ সাল হতে। এই মহাকাশ কেন্দ্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জাপান, কানাডা এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি। সূত্র: বিবিসি






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *