Main Menu

সাতছড়ির গহীন অরণ্যে বিজিবি’র অভিযান অব্যাহত

তৃতীয় দিন মতো হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গহিন বনে অভিযান চালিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় অভিযান শুরু করে বিজিবি সদস্যরা। তবে কোনো অস্ত্র কিংবা গোলাবারুদ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে গভীর বন থেকে ১৮টি ট্যাংক বিধ্বংসী রকেট লঞ্চার উদ্ধার করা হয়।

এসব গোলা আদালতের নির্দেশ পেলে আদালতের মাধ্যমে তা ধ্বংস করা হবে কিংবা ঢাকায় সমরাস্ত্র কারখানায় পাঠানো হতে পাবে বলে জানিয়েছে লে. কর্নেল সামীউন্নবী চৌধুরী। তিনি জানান, বিজিবির তৃতীয় দিনের অভিযান চলছে। তাদের সন্দেহজনক এলাকাগুলো সার্চ করার পরই তাদের অভিযান সমাপ্ত হতে পারে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকালে থেকে ৫৫ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল সামীউন্নবী চৌধুরীর নেতৃত্বে বিজিবি সদস্য সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের অভ্যন্তরে ভারত সীমান্ত থেকে মাত্র এক কিলোমিটার অভিযান শুরু করে।

জানা যায়, সাতছড়ি বনে ২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, ১টি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান, ১টি বেটাগান, ৬টি এসএলআর, ১টি অটোরাইফেল, ৫টি মেশিনগানের অতিরিক্ত খালি ব্যারেল, প্রায় ১৬ হাজার রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করে র‌্যাব।

এরপর আবারও ওই বছরের ১৬ অক্টোবর থেকে চতুর্থ দফার প্রথম পর্যায়ে উদ্যানের গহিন অরণ্যে মাটি খুঁড়ে ৩টি মেশিনগান, ৪টি ব্যারেল, ৮টি ম্যাগাজিন, ২৫০ গুলির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ৮টি বেল্ট ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ১টি রেডিও উদ্ধার করা হয়।

পরে একই বছরের ১৭ অক্টোবর দুপুরে এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, থ্রি নট থ্রি রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়।

পঞ্চম দফায় ২০১৮ সালের ২ ফেব্রæয়ারী সাতছড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট উদ্ধার করা হয়।

সর্বশেষ ৬ষ্ঠ দফায় ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ১৩ রকেট লঞ্চারের শেলসহ বেশ কিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। পরে সিলেট ক্যান্টনমেন্ট এর বোম ডিসপোজল টিম এগুলো বনের ভেতরেই ধ্বংস করে ফেলে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *