Main Menu

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ আদালতে অভিযোগপত্র গ্রহণ

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে নববধূকে তুলে নিয়ে দল বেঁধে গণধর্ষণের মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মো. মোহিতুল হকের আদালত আলোচিত এ ধর্ষণ মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেন ট্রাইব্যুনালের পিপি রাশিদা সাঈদা খানম বলেন, আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে তা আমলে নিয়েছেন। তবে এ মামলার চার্জ গঠনের তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

এদিকে, সংঘবদ্ধ ধর্ষণর মামলার পুলিশের প্রদান করা এই চার্জশিটে কোনো ধরনের আপতিই জানাননি বাদী পক্ষের আইনজীবীরা।

জানা যায়, গত রোববার একই আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য সময় চাইলে আদালত দুই দিনের সময় দেন। এর আগে ৩ জানুয়ারী মামলার অভিযোগ গঠনের প্রথম শুনানি শেষে এ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিলো। ওই তারিখেও বাদীপক্ষের আইনজীবী অভিযোগপত্র পর্যালোচনায় সময় প্রার্থনা করেছিলেন। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে মামলার নথিপত্র বাদীপক্ষ না পাওয়ায় দ্বিতীয় দফায় আবার আবেদন করেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনা একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। আমরা আদালত থেকে অভিযোগপত্র পর্যালোচনা করার জন্য দুই দিনের সময় নিয়ে তা পর্যালোচনা করে দেখেছি সকল আসামীকে অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত করা হয়েছে। যার জন্য আমরা আপত্তি জানাইনি। অভিযোগপত্রের ব্যাপারে আমরা বাদী পক্ষের আইনজীবী সন্তুষ্টি পোষণ করলে আদালত তা আমলে নেন।

অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজনকে দল বেঁধে ধর্ষণের জন্য অভিযুক্ত করা হয়। আসামী রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুমকে ধর্ষণে সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়। এই ৮ আসামীই বর্তমানে কারাগারে আছেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক নববধূকে দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী বাদী হয়ে মহানগর পুলিশের শাহপরান থানায় ৬ জনের নামসহ আরো ২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা করেন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *